এখন থেকে প্রতিদিন ২-৪ ডলার ইনকাম করুন ১০০% True

আসসালামুয়াল­াইকুম বন্ধুরা,
 

Apps Link

ফেসবুক বা google Account দিয়ে Account লগ ইন করবেন।
আমার রেফার Use করলে ৫০ কয়েন ফ্রি পাবেন আমার রেফার:XPDCDKF3 রেফার দিয়ে Sumbit করবেন

Daily 10 coine ফ্রি পাবেন।
 
ফেসবুকে লাইক দিয়ে ১৫ কয়েন পাবেন আমি লাইকে দিছি তাই অই ওপশন টা নাই।
অ্যান্ড ফেসবুকে Twitter Share করে ১০+১০ ২০ কয়েন পাবেন।
এখান থেকে Apps Download করে অনেক কয়েন জমাতে পারবেন।
অ্যান্ড Survey Answer দিয়ে কয়েন জমাতে পারবেন।
আর আমার রেফার Use করলে ফ্রি ৫০ কয়েন
আমার রেফার:XPDCDKF3 আর বেসি বেসি রেফার করবেন।
৩০০০ কয়েন হলেই টাকা তুলতে পারবেন।
Paypal দিয়ে 3 $ হলেই টাকা তুলতে পারবেন।

নোট: যারা না বুজবেন কমেন্ট করুন এবং কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করুন।

PERSONAL ব্লগ থেকে টাকা উপার্জন করবেন?

ভাইরাস কি? কিভাবে ছড়ায়? নতুন উইন্ডোজ দেওয়ার পরেও ভাইরাস কিভাবে পিসিকে পুনরায় আক্রমন করে?এর থেকে প্রতিকার কি?

কিভাবে আনলিমিটেড ফেসবুক আইডি বানাতে হয় কোন ইমেইল বা মোবাইল নাম্বার ছাড়া

এই ট্রিক্সটির মাধ্যমে আপনি এখন থেকে খুব
সহজেই ফেইসবুক এ আনলিমিটেড একাউন্ট খুলতে পারবেন আর এর জন্য
আপনাকে বার বার ইমেইল আইডি খুলতে হবে না।
প্রথমত ইমেইল আইডি জটিলতা সমাধানের জন্য আপনারা টেম্প মেইল নামে
একটি ওয়েবসাইট আসে সেখানে ইচ্ছামত ইমেইল আইডি জেনারেট করতে
পারবেন। আপনার এই জেনারেট করা ইমেইল বাবহার করেই ফেইসবুক আইডি
খুলে আবার ওইটা ইমেইল ভেরিফাই ও করতে পারবেন। নরমালি ফেইসবুক
খুলার পর ইমেইল এ ভেরিফিকেশন এর জন্য একটি ইন্টার কোড যায় তারপর
ইমেইল থেকে সেটা কন্ফার্ম একাউন্টে ক্লিক করে ফেইসবুক
একাউন্টে ইমেইল ভেরিফাই করা হয়। ইমেইল ভেরিফিকেশন এর পর
ফেইসবুক আইডি বাবহার করা যায়। সো ইমেইল এর এইসকল কাজগুলা আপনি
টেম্প ইমেইল বাবহার করে করতে পারবেন যার কারণে বার বার ইমেইল
খুলার প্রয়োজন নাই।

http://temp-mail.org
 
Contact:01733049209  
) s

ইউটিউব মার্কেটিং কেন করবেন? কি করবেন? কিভাবে করবেন?

 
 
 
 
 
অনলাইন আয়ের প্রথম দিকে মানুষ শুধু ফ্রিলান্সিং চিনতো। কিন্তু ধীরে ধীরে অনুধাবন করতে লাগলো ক্লায়েন্ট আমাদের থেকে যেই কাজ গুলো করিয়ে নেয় সেই কাজ গুলো তাদের কি কাজে লাগে। কেন তারা অনেক ছোট ছোট কাজের জন্য এত ভালো অঙ্কের পে করে। নিশ্চয় তারা এইসব কাজ করিয়ে নিয়ে অনেক বেশি আয় করে বলেই সে এত টাকা খরচ করে। কিন্তু এখন আর কারও অজানা নয় যে আসলে এই কাজ গুলো যারা করিয়ে নেয় তারা মূলত অনলাইন ইন্টারপ্রেনর। তারাও ফ্রিল্যান্সারদের মতই অনলাইন আয়ই করে থাকেন তবে পার্থক্য হচ্ছে তাদের তারা কিছুটা বড় পরিসরে এবং প্রকৃত মুক্তভাবে কাজ করে থাকে। যেমন তারা হতে পারে কোন একটা কোম্পানির প্রডাক্টের এফিলিয়েট। তখন তারা কমিশনের ভিত্তিতে ওই কোম্পানির প্রোডাক্ট অনলাইনেই বিক্রি করে দিয়ে থাকে। সাধারনত এই কাজটি করার জন্য তারা ব্যবহার করে থাকে তাদের করা একটা সাইট, ভিডিও চ্যানেল অথবা ইমেইল। আর তাদের এই কাজ গুলোকেই মূলত তারা ভাগ ভাগ করে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সারদের মাধ্যমে করিয়ে নেয়।
সুতরাং, বুজতেই পারছেন যদি আপনি অনলাইন মার্কেটিং এর এধরনের প্রজেক্ট পরিচালনা করেন তাহলে আপনার আয়ও যেমন বেশি হবে তেমন আপনি কখনো কাজ না করতে পারলেও আপনার আয় একেবারে থেকে থাকবে না। আর আয়টাও হবে রেপিড। তাই আর্থিক নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করলে অনলাইন মার্কেটিং করা ফ্রিল্যান্সিং এর চাইতে বেশি নিরাপদ। তবে অনেক অনলাইন মার্কেটার শুধুমাত্র মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্সিং করেই আয় করেন।
অনলাইন মার্কেটিং নিয়ে তো অনেক হল এবার চলুন ইউটিউব মার্কেটিং নিয়ে কিছু কথা বলি –
ইউটিউব মার্কেটিং কি?
আমরা সবাই জানি ইউটিউব হচ্ছে একটা ভিডিও শেয়ারিং সাইট এবং পৃথিবীর সকল ভিডিও শেয়ার সাইটের মধ্যে ইউটিউব সবথেকে জনপ্রিয় এবং ইউজার বান্ধব। সুতরাং বুজতেই পারছেন ইউটিউবে দৈনিক কি পরিমান ভিজিটর পাওয়া যায়। এদের কাছে ইউটিউবে ভিডিও আপলোড এবং শেয়ারের মাধ্যমে কোন পণ্যের বা সেবার পরিচিতি পৌঁচে দেওয়াই হচ্ছে ইউটিউব মার্কেটিং। এক কথায়, ইউটিউব ভিডিও এর মাধ্যমে কোন পণ্য বা সেবা’র মার্কেটিং করাকেই ইউটিউব মার্কেটিং বলে।
ইউটিউব মার্কেটিং কেন করবেন?
অনলাইন মার্কেটিং করার অনেক উপায় আছে। তার মধ্যে ইউটিউব মার্কেটিং বর্তমানে সবথেকে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এর এত জনপ্রিয়তার অনেকগুলো কারন আছে।
প্রথমত, ইউটিউব মার্কেটিং করলে খুব দ্রুত ট্রাফিক পাওয়া যায়। যেটা একটা ওয়েবসাইটের জন্য অনেক সময়ের ব্যাপার।
আবার একটা সাইটের জন্য আপনি প্রথমেই হোস্টিং আর ডোমেইন এর জন্য টাকা খরচ করতে হবে যেটা নতুনদের জন্য অনিহার কারন। ইউটিউব এ আপনাকে কোন টাকা খরচ করতে হবে না।
আর সবচেয়ে বড় যেই কারনে ইউটিউব মার্কেটিং ইদানিং বেশি জনপ্রিয় তা হচ্ছে এসইও রেঙ্কিং এর বিভিন্ন আপডেটের কারনে যারা রিভিও সাইট দিয়ে মার্কেটিং করে থাকেন তাদের রেঙ্কিং প্রতিনিয়ত ড্রপ করছে কিন্তু ইউটিউব এই প্রভাব থেকে মুক্ত।
আবার, যারা এমন কোন প্রোডাক্ট ক্রয় করার জন্য সিদ্ধান্ত নেন যেটার ডিজাইন বা ব্যাবহারবিধি নিয়ে তারা চিন্তিত তখন তারা সেই পণ্যটি দেখতে কেমন বা এটি কিভাবে ব্যবহার করবে তা জানার জন্য ইউটিউবে প্রবেশ করে আর তাই উন্নত বিশ্বে ইউটিউবে ঢু মারা মানুষের বড় অংশ এর পরেই কিছু না কিছু ক্রয় করে থাকেন। যার কারনে ইউটিউব হচ্ছে ক্রেতাদের ঘাটি।
কিভাবে করবেন ইউটিউব মার্কেটিং?
ইউটিউব মার্কেটিং আমাদের দেশে মোটামুটি নতুন বিধায় ইন্টারনেট প্রশিক্ষন রিসোর্স নেই বললেই চলে। আবার আমরা ফ্রিতে কোন কিছু পেলে তখন সবাই বুঝে না বুঝে সেই দিকে ঝুকে পড়ি যার কারনে সেই বিষয়টায় ব্যপক হারে স্পামিং বেড়ে যায়। তাই এই ব্যপারে যারা অভিজ্ঞ তারা আসলে মানুষকে নিজেদের টিপস বা অভিজ্ঞতা খোলাখুলি দিতে চায় না যেন শুধুমাত্র আগ্রহীরাই এখানে আসে। তবে আপনি যদি ব্যক্তিগতভাবে কোন ইউটিউব মার্কেটারের সাথে পরিচিত থাকেন তবে তার কাছ থেকে সাহায্য নিতে পারেন। আর যদি প্রশিক্ষন নিতে চান তাহলে উপযুক্ত যায়গা সফটনেট বিডি। এখানে আমরা সাধারন বিষয় শেখানোর পাশাপাশি নিশ্চিত সফলতার অনেক টিপস শেয়ার করি এবং পাশাপাশি আমাদের রয়েছে উপযুক্ত ল্যাব যেখানে ক্লাসের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা ক্লাসে বসেই বাস্তব কাজ করে ভালোভাবে শিখে যেতে পারে।
পরিশেষে যা বলতে হয় তা হচ্ছে ইউটিউব মার্কেটিং হচ্ছে অনলাইন মার্কেটিং এর সবথেকে সহজ পদ্ধতি এবং অনলাইন আয়েরও সবথেকে জনপ্রিয় মাধ্যম। অনেক কম সময় দিয়ে আপনি ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবেন তবে খেয়াল রাখতে হবে আপনার কাজের মানের উপর এবং কি নিয়ে কাজ করছেন কি দিয়ে কাজ করছেন তার উপর। মনে রাখবেন, আপনি ইউটিউব মার্কেটার হলে ইউটিউব কে স্পাম মুক্ত রাখা আপনার দায়িত্ব। কারন, এটি বিদেশের কাছে আমাদের দেশের মার্কেটারদের মানের একটা যায়গা। ভালো থাকবেন

কবে থেকে ভালোবাসা দিবসের শুরু



ভালোবাসা শব্দটি খুব সহজেই সকলের সহজাত প্রবৃত্তির সাথে মিশে যায়। কেননা জন্মের পর থেকেই মানুষের বেড়ে উঠা এই ভালোবাসাকে কেন্দ্র করেই। আর তাই ভালোবাসার দিনটিকে নিয়ে সকলের ভাবনাটাও থাকে বিশেষ। এই দিনটির শুরুর গল্পটাও বেশ রঙিন। ভ্যালেন্টাইন্স ডে বা বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের পটভূমিটি কী আসুন খুঁজে দেখি ইতিহাসের পাতায়। আর এ নিয়ে লিখেছেন রিয়াদ খন্দকার

আমাদের দেশে দিনটির শুরু 

১৯৯৩ সালের দিকে আমাদের দেশে ভালোবাসা দিবসের আবির্ভাব ঘটে। সাংবাদিক ব্যক্তিত্ব শফিক রেহমান পড়াশোনা করেছেন লন্ডনে। পাশ্চাত্যের রীতিনীতিতে তিনি ছিলেন অভ্যস্ত। দেশে ফিরে তিনিই ভালোবাসা দিবসের শুরুটি করেন। এ নিয়ে অনেক ধরনের মতবিরোধ থাকলেও শেষ পর্যন্ত শফিক রেহমানের চিন্তাটি নতুন প্রজন্মকে বেশি আকর্ষণ করে। সে থেকে এই আমাদের দেশে দিনটির শুরু। 

বছর ঘুরে ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটি আমাদের ভালোবাসায় রাঙিয়ে গেলেও, ভালোবাসা কিন্তু প্রতিদিনের। জীবনের গতি নির্ধারণ করে ভালোবাসা। মানুষ বেঁচে থাকে ভালোবাসায়। 

'ভালোবাসা' পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর কোমল দুরন্ত মানবিক অনুভূতি। ভালোবাসা নিয়ে ছড়িয়ে আছে কত কত পৌরাণিক উপাখ্যান। সাহিত্য-শিল্প-সংস্কৃতি সর্বত্রই পাওয়া যায় ভালোবাসার সন্ধান। আর তাই ১৪ ফেব্রুয়ারি মানেই প্রজন্মের কাছে একটি কাঙ্ক্ষিত দিন। দুনিয়াজুড়ে দিনটিকে অত্যন্ত আগ্রহ ও আনন্দের সঙ্গে পালন করা হয়ে থাকে। তারুণ্যের অনাবিল আনন্দ আর বিশুদ্ধ উচ্ছ্বাসে সারা বিশ্বের মতো আমাদের দেশেও দিনটি নিয়ে থাকে প্রচুর মাতামাতি। কী এই ভ্যালেন্টাইনস ডে? কীভাবে তার উত্পত্তি? কেনইবা একে ঘিরে ভালোবাসা উত্সবের আহ্বান? প্রশ্নগুলোর উত্তর নিয়ে আছে নানা মুনির নানা মত। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ইতিহাসটি হচ্ছে ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের। ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইন ছিলেন শিশুপ্রেমিক, সামাজিক ও সদালাপি এবং খ্রিস্টধর্ম প্রচারক। আর রোম সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস ছিলেন বিভিন্ন দেব-দেবীর পূজায় বিশ্বাসী। সম্রাটের পক্ষ থেকে তাকে দেব-দেবীর পূজা করতে বলা হলে ভ্যালেন্টাইন তা অস্বীকার করায় তাকে কারারুদ্ধ করা হয়। সম্রাটের বারবার খ্রিস্টধর্ম ত্যাগের আজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করলে ২৭০ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয় আদেশ লঙ্ঘনের দায়ে ভ্যালেন্টাইনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। সেই থেকেই দিনটির শুরু। এ ছাড়া আরও একটি প্রচলিত ঘটনা আছে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে নিয়েই। সেন্ট ভ্যালেন্টাইন কারারুদ্ধ হওয়ার পর প্রেমাসক্ত যুবক-যুবতীদের অনেকেই প্রতিদিন তাকে কারাগারে দেখতে আসত এবং ফুল উপহার দিত। তারা বিভিন্ন উদ্দীপনামূলক কথা বলে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে উদ্দীপ্ত রাখত। এক কারারক্ষীর এক অন্ধ মেয়েও ভ্যালেন্টাইনকে দেখতে যেত। অনেকক্ষণ ধরে তারা দু'জন প্রাণ খুলে কথা বলত। একসময় ভ্যালেন্টাইন তার প্রেমে পড়ে যায়। সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের আধ্যাত্মিক চিকিত্সায় অন্ধ মেয়েটি দৃষ্টিশক্তি ফিরে পায়। ভ্যালেন্টাইনের ভালোবাসা ও তার প্রতি দেশের যুবক-যুবতীদের ভালোবাসার কথা সম্রাটের কানে গেলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ২৬৯ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। এছাড়া খ্রিস্টীয় ইতিহাস মতে, ২৬৯ খ্রিস্টাব্দের সাম্রাজ্যবাদী, রক্তপিপাষু রোমান সম্রাট ক্লডিয়াসের দরকার এক বিশাল সৈন্যবাহিনীর। একসময় তার সেনাবাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দেয়। কিন্তু কেউ তার সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে রাজি নয়। সম্রাট লক্ষ করলেন যে, অবিবাহিত যুবকরা যুদ্ধের কঠিন মুহূর্তে অত্যধিক ধৈর্যশীল হয়। ফলে তিনি যুবকদের বিবাহ কিংবা যুগলবন্দী হওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। যাতে তারা সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে অনীহা প্রকাশ না করে। তার এ ঘোষণায় দেশের যুবক-যুবতীরা ক্ষেপে যায়। যুবক সেন্ট ভ্যালেন্টাইন নামের এক ধর্মযাজকও সম্রাটের এ নিষেধাজ্ঞা কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি। প্রথমে তিনি সেন্ট মারিয়াসকে ভালোবেসে বিয়ের মাধ্যমে রাজার আজ্ঞাকে প্রত্যাখ্যান করেন এবং তার গির্জায় গোপনে বিয়ে পড়ানোর কাজও চালাতে থাকেন। একটি রুমে বর-বধূ বসিয়ে মোমবাতির স্বল্প আলোয় ভ্যালেন্টাইন ফিস ফিস করে বিয়ের মন্ত্র পড়াতেন। কিন্তু এ বিষয়টি একসময়ে সম্রাট ক্লডিয়াসের কানে গেলে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। ২৭০ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি সৈন্যরা ভ্যালেন্টাইনকে হাত-পা বেঁধে টেনে-হিঁচড়ে সম্রাটের সামনে হাজির করলে তিনি তাকে হত্যার আদেশ দেন। আরেকটি খ্রিস্টীয় ইতিহাস মতে, গোটা ইউরোপে যখন খ্রিস্টান ধর্মের জয়জয়কার, তখনও ঘটা করে পালিত হতো রোমীয় একটি রীতি। মধ্য ফেব্রুয়ারিতে গ্রামের সকল যুবকরা সমস্ত মেয়েদের নাম চিরকুটে লিখে একটি পাত্রে বা বাক্সে জমা করত। অতঃপর ওই বাক্স হতে প্রত্যেক যুবক একটি করে চিরকুট তুলত, যার হাতে যে মেয়ের নাম উঠত, সে পূর্ণবত্সর ওই মেয়ের প্রেমে মগ্ন থাকত। আর তাকে চিঠি লিখত, এ বলে 'প্রতিমা মাতার নামে তোমার প্রতি এ পত্র প্রেরণ করছি।' বছর শেষে এ সম্পর্ক নবায়ন বা পরিবর্তন করা হতো। এ রীতিটি কয়েকজন পাদ্রীর গোচরীভূত হলে তারা একে সমূলে উত্পাটন করা অসম্ভব ভেবে শুধু নাম পাল্টে দিয়ে একে খ্রিস্টান ধর্মায়ণ করে দেয় এবং ঘোষণা করে এখন থেকে এ পত্রগুলো 'সেন্ট ভ্যালেনটাইন'-এর নামে প্রেরণ করতে হবে। কারণ এটা খ্রিস্টান নিদর্শন, যাতে এটা কালক্রমে খ্রিস্টান ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে যায়। অন্য আরেকটি মতে, প্রাচীন রোমে দেবতাদের রানি জুনোর সম্মানে ১৪ ফেব্রুয়ারি ছুটি পালন করা হতো। রোমানরা বিশ্বাস করত যে, জুনোর ইশারা-ইঙ্গিত ছাড়া কোনো বিয়ে সফল হয় না। ছুটির পরদিন ১৫ ফেব্রুয়ারি লুপারকালিয়া ভোজ উত্সবে হাজারও তরুণের মেলায় র্যাফেল ড্র'র মাধ্যমে সঙ্গী বাছাই প্রক্রিয়া চলত। এ উত্সবে উপস্থিত তরুণীরা তাদের নামাংকিত কাগজের স্লিপ জনসম্মুখে রাখা একটি বড় পাত্রে ফেলত। সেখান থেকে যুবকের তোলা স্লিপের তরুণীকে কাছে ডেকে নিত। কখনও এ জুটি সারা বছরের জন্য স্থায়ী হতো এবং ভালোবাসার সিঁড়ি বেয়ে বিয়েতে গড়াতো ওই সম্পর্ক। ওই দিনের শোক গাঁথায় আজকের এই 'ভ্যালেন্টাইন ডে'। এমন অনেক প্রচলিত ঘটনা, তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যায় ভালোবাসা দিবসের ইতিহাস নিয়ে। একেকজন একেকভাবে এর যুক্তি ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন।

Waliur Rhaman Miiraj


জীবনের চরম কিছু সত্য বাস্তবতা।যা হয় তো আপনার জানা দরকার।

জীবনের জন্য চরম সত্য কিছু কথা …
1) অন্যের কাছ থেকে যে ব্যবহার প্রত্যাশা করেন আগে নিজে সে আচরণ করুন।
2) প্রেমিকের জীবনে এমন একটা সময়ও আসে, যখন নক্ষত্রের জ্যোতিতেও প্রাণের শিরা বেদনার্ত হয়ে ওঠে।
3) কারো আশাকে নষ্ট করবেন না, হয়তো এ আশাই তার শেষ সম্বল।
4) বাধা পেয়ে যে ফিরে আসে তার সব শেষ হয়ে যায়।
একজন মানুষ প্রথম পরাজিত হয় তার নিজের কাছে।
5) জীবনের লক্ষকে পরিষ্কার রাখুন। সবসময় মনে রাখুন বড় কিছু করার জন্য আপনি পৃথিবীতে এসেছেন।
6) দক্ষতা ছাড়া সততা শক্তিহীন।
7) যেকোন সমস্যাকে বিপদ না ভেবে নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিন।
8) দুশ্চিন্তা ও উৎকন্ঠা দিয়ে আজ পর্যন্ত কেউ নতুন কিছ সৃষ্টি করতে পারেনি।
প্রত্যয় ও সাহস দিয়েই মানুষ নতুন পৃথিবী আবিষ্কার করেছে।
9) দেহ হচ্ছে আত্মার বহিরাবরণ। দেহের সীমাবদ্ধতা আছে;আত্মার কোন সীমাবদ্ধতা নেই। আত্মা হচ্ছে বিশুদ্ধ শক্তি। মনোগত দৃষ্টিভঙ্গির উপরই এর প্রকাশিত রূপ নির্ভর করে।
10) নিজের ভুল স্বীকার করার মতো সাহসী হোন।
11) পথে নামলে পথই পথ দেখায়।
12) পৃথবীতে মানুষই একমাত্র সৃষ্টি যে চিন্তা ও অনুভূতির দ্বারা তার জৈবিক অবস্থা বদলাতে পারে।
13) প্রতিটি জিনিসকে পুরোপুরি গ্রহণ করুন। তাহলেই আপনি এ থেকে পরিপূর্ণ শিক্ষা নিতে পারবেন।
14) প্রত্যেক প্রেমিকের জীবনে একটাই সত্য রয়েছে- প্রেমিকের দুঃখে কাঁদবার কেউ নেই; কিন্তু প্রেমিকের কীর্তিকথার বিদ্রুপের হাসি হাসতে সারা জগৎ প্রস্তুত হয়ে আছে।
Post By Waliur Rhaman Miiraj

Total Pageviews

Powered by Blogger.